ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; গ্রেপ্তার ২ Logo খুলশীতে যৌথ অভিযানে ৬৩ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার Logo দেশের সব জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা Logo ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ Logo তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সাংবাদিকের ওপর হামলা Logo বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা, বাড়ছে বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিয়ে শঙ্কা Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চালু হবে ইলেকট্রিক ট্রেন Logo কক্সবাজারে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেপ্তার Logo চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জনের ঘোষণা আইনজীবীদের Logo জ্বালানিমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জের বাড়িতে বজ্রপাতে আগুন

ভারতের লাল কার্ডের পরোয়া করে না জামায়াত’—ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা জামায়াতকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেও দলটি তা নিয়ে কোনো পরোয়া করে না।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা আমাদের লাল কার্ড দেখায়। কিন্তু জামায়াত তাদের লাল কার্ডের পরোয়া করে না, কারণ তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।”

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও ‘২৪-এর অর্জন রক্ষা করবে জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও অনেকে এখনো অতীত নিয়েই ব্যস্ত। “’২৪ না হলে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি সামনে এগোবে কীভাবে?”—বলেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে পারে না—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা বুঝলো কীভাবে?”

তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটে কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবেই। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে সমাধান হবে।

ডা. শফিকুর রহমান শহীদদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের প্রত্যাশা ধরে রাখতে হবে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকবে জামায়াতে ইসলামী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
৪৫৬৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতের লাল কার্ডের পরোয়া করে না জামায়াত’—ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা জামায়াতকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেও দলটি তা নিয়ে কোনো পরোয়া করে না।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা আমাদের লাল কার্ড দেখায়। কিন্তু জামায়াত তাদের লাল কার্ডের পরোয়া করে না, কারণ তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।”

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও ‘২৪-এর অর্জন রক্ষা করবে জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও অনেকে এখনো অতীত নিয়েই ব্যস্ত। “’২৪ না হলে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি সামনে এগোবে কীভাবে?”—বলেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে পারে না—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা বুঝলো কীভাবে?”

তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটে কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবেই। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে সমাধান হবে।

ডা. শফিকুর রহমান শহীদদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের প্রত্যাশা ধরে রাখতে হবে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকবে জামায়াতে ইসলামী।