ঢাকা, ২৬ এপ্রিল: সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে দেশের ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তর ও সংস্থায় নতুন প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক ১৫টি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার ১৫ জন কর্মকর্তাকে প্রেষণে এসব দপ্তর ও সংস্থার শীর্ষ পদে পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. জসীম উদ্দিন খানকে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. লুৎফর রহমানকে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম এম আরিফ পাশাকে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হয়েছেন খোন্দকার আনোয়ার হোসেন।
এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক এবং পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবুল হাসনাত মুহম্মদ আনোয়ার পাশাকে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক করা হয়েছে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে মো. আসাদুজ্জামান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে দিল আফরোজ এবং পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে এ এস এম মুস্তাফিজুর রহমানকে মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ার হোসেনকে গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের মহাপরিচালক এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসান মাহমুদকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্টার জেনারেলের কার্যালয়ের রেজিস্টার জেনারেল করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে মো. আব্দুল হাই এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে মো. শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব কর্মকর্তার চাকরি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ন্যস্ত থাকবে এবং তারা প্রেষণে নিজ নিজ দপ্তরের নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রশাসন ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে গতি আনতেই এই পদায়ন করা হয়েছে। এটিকে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।