ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে: অনুমোদনহীন সমাবেশ নিষিদ্ধ, ইতিহাসের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোন গঠন

নিজস্ব সংবাদ :

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পর থেকে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ এবং আন্দোলন পরিচালনা থেকে বিরত থাকার জন্য সকল রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশ জুড়ে প্রায় ৯ লাখ সশস্ত্রবাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর যেকোনো ধরনের বেআইনি জনসমাবেশ বা আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বিশেষ করে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ডকে পুরোপুরি প্রতিহত করা হবে। যারা বেআইনিভাবে কোনো সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৈঠকে আরও বলা হয়, সরকার নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে এবং কোনো ধরনের অশান্তি বা অব্যবস্থাপনার সুযোগ দেয়া হবে না। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে পারে। এ নির্বাচনের সুষ্ঠু, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য আয়োজন নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন করা, যাতে জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান থাকে। এ লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশ জুড়ে প্রায় ৯ লাখ সশস্ত্রবাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী। ইতিমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা জানি, অনেকের ন্যায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে এবং গত দেড় বছরে বিভিন্ন আন্দোলনকারীরা আমাদের কাছে তাদের দাবি পেশ করেছেন। সরকার সবসময় ন্যায্য দাবিগুলো শোনার চেষ্টা করেছে এবং সমাধানে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা করেছে। কিন্তু, এখন আমরা নির্বাচনের সময়ের কাছাকাছি পৌঁছেছি, এবং এ কারণে সকল রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের আবেদন, তারা তাদের দাবি নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপন করবেন। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি, এ সময়ে কেউ উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করবে না, বরং নির্বাচনমুখী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলেই সহযোগিতা করবেন।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:১৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৬৩০ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে: অনুমোদনহীন সমাবেশ নিষিদ্ধ, ইতিহাসের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোন গঠন

আপডেট সময় ০১:১৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পর থেকে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ এবং আন্দোলন পরিচালনা থেকে বিরত থাকার জন্য সকল রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশ জুড়ে প্রায় ৯ লাখ সশস্ত্রবাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর যেকোনো ধরনের বেআইনি জনসমাবেশ বা আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বিশেষ করে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ডকে পুরোপুরি প্রতিহত করা হবে। যারা বেআইনিভাবে কোনো সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৈঠকে আরও বলা হয়, সরকার নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে এবং কোনো ধরনের অশান্তি বা অব্যবস্থাপনার সুযোগ দেয়া হবে না। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে পারে। এ নির্বাচনের সুষ্ঠু, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য আয়োজন নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন করা, যাতে জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান থাকে। এ লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশ জুড়ে প্রায় ৯ লাখ সশস্ত্রবাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী। ইতিমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা জানি, অনেকের ন্যায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে এবং গত দেড় বছরে বিভিন্ন আন্দোলনকারীরা আমাদের কাছে তাদের দাবি পেশ করেছেন। সরকার সবসময় ন্যায্য দাবিগুলো শোনার চেষ্টা করেছে এবং সমাধানে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা করেছে। কিন্তু, এখন আমরা নির্বাচনের সময়ের কাছাকাছি পৌঁছেছি, এবং এ কারণে সকল রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের আবেদন, তারা তাদের দাবি নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপন করবেন। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি, এ সময়ে কেউ উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করবে না, বরং নির্বাচনমুখী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকলেই সহযোগিতা করবেন।