ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; গ্রেপ্তার ২ Logo খুলশীতে যৌথ অভিযানে ৬৩ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার Logo দেশের সব জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা Logo ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ Logo তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সাংবাদিকের ওপর হামলা Logo বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা, বাড়ছে বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিয়ে শঙ্কা Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চালু হবে ইলেকট্রিক ট্রেন Logo কক্সবাজারে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেপ্তার Logo চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জনের ঘোষণা আইনজীবীদের Logo জ্বালানিমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জের বাড়িতে বজ্রপাতে আগুন

গুম প্রতিরোধে অধ্যাদেশ জারি: সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব সংবাদ :

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার এই অধ্যাদেশ জারি হয়। এই আইনের অধীনে গুমের সাথে জড়িত সকল শৃঙ্খল বাহিনী তথা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও বিজিবিসহ সকলের বিচার করা যাবে।

এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পেল।

এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ প্রতিকার এবং সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৭০৫ বার পড়া হয়েছে

গুম প্রতিরোধে অধ্যাদেশ জারি: সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার এই অধ্যাদেশ জারি হয়। এই আইনের অধীনে গুমের সাথে জড়িত সকল শৃঙ্খল বাহিনী তথা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও বিজিবিসহ সকলের বিচার করা যাবে।

এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পেল।

এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ প্রতিকার এবং সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।