ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে অস্বচ্ছ লটারির নামে ‘বদলি-বাণিজ্য’ ও স্বেচ্ছাচারী পদায়নের অভিযোগ! Logo যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্ন ফাঁস: সরকারি কর্মচারীসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা ও প্রটোকল জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারকে ব্যর্থ হতে হবে: গোলাম পরওয়ার Logo নয় মাসে তারেক রহমানকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে: প্রেস সচিব Logo ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী Logo রিমান্ড শেষে কারাগারে অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা Logo প্রশ্ন ফাঁসের পর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত Logo হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৮৬ Logo ভারতে দুই ছাত্রনেতাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

গুলশানে ‘অবৈধ বার’, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ‘জার্মান ক্লাব’ পরিচয়ে পরিচালিত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটিতে অভিযান চালিয়ে ২৪৪ লিটার অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ডিএনসির একটি দল রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালায়। শুক্রবার দুপুরে ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মেহেদী হাসান বলেন, গুলশান-২ নম্বরের ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত এবং পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হচ্ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়। এর সত্যতা যাচাইয়ে অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত নাম সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডিএনসি সূত্র জানায়, অভিযানে ২২৩ বোতলে মোট ১৭৭ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ২০৯টি বোতল ও ক্যান থেকে মোট ৬৭ লিটার অবৈধ বিয়ার উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।

অভিযানকালে রেস্টহাউজটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানান ডিএনসির এই কর্মকর্তা।

মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব আয়োজনে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো। এর সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।

এ ঘটনায় আতাউর রহমান শামীম, ওমর জামিল ও অজ্ঞাতপরিচয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান ডিএনসির উপপরিচালক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১৮ বার পড়া হয়েছে

গুলশানে ‘অবৈধ বার’, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় ০৬:০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ‘জার্মান ক্লাব’ পরিচয়ে পরিচালিত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটিতে অভিযান চালিয়ে ২৪৪ লিটার অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ডিএনসির একটি দল রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালায়। শুক্রবার দুপুরে ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মেহেদী হাসান বলেন, গুলশান-২ নম্বরের ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত এবং পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হচ্ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়। এর সত্যতা যাচাইয়ে অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত নাম সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডিএনসি সূত্র জানায়, অভিযানে ২২৩ বোতলে মোট ১৭৭ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ২০৯টি বোতল ও ক্যান থেকে মোট ৬৭ লিটার অবৈধ বিয়ার উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।

অভিযানকালে রেস্টহাউজটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানান ডিএনসির এই কর্মকর্তা।

মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব আয়োজনে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো। এর সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।

এ ঘটনায় আতাউর রহমান শামীম, ওমর জামিল ও অজ্ঞাতপরিচয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান ডিএনসির উপপরিচালক।