ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে জান্নাতুল তাজমিন নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর (মানুমুড়া) এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহের পাশ থেকে একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করে পুলিশ।

নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। সে কুমিল্লা ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লায় বসবাস করত তাজমিন।

পরিবারের বরাতে জানা যায়, চার দিন আগে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল তাজমিন। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে ঘুরতে যায় সে। সেখান থেকে গত রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়।

রাতে মেয়ে বাসায় না ফেরায় তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন বাবা আবদুল আলীম। তবে তাজমিন ফোন রিসিভ করেনি। পরে মেয়ের খোঁজে বাসা থেকে বের হন তিনি। ভোরে লালমাই থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।

স্থানীয়রা সকালে ধানক্ষেতে মরদেহ ও পাশে পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:১১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১৯ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:১১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে জান্নাতুল তাজমিন নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর (মানুমুড়া) এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহের পাশ থেকে একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করে পুলিশ।

নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। সে কুমিল্লা ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লায় বসবাস করত তাজমিন।

পরিবারের বরাতে জানা যায়, চার দিন আগে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল তাজমিন। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে ঘুরতে যায় সে। সেখান থেকে গত রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়।

রাতে মেয়ে বাসায় না ফেরায় তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন বাবা আবদুল আলীম। তবে তাজমিন ফোন রিসিভ করেনি। পরে মেয়ের খোঁজে বাসা থেকে বের হন তিনি। ভোরে লালমাই থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।

স্থানীয়রা সকালে ধানক্ষেতে মরদেহ ও পাশে পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।