আশুলিয়ায় দুই শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, আহত ৬
সাভারের আশুলিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবসা ও পূর্ববিরোধের জেরে দুই শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে আশুলিয়ার কাঁঠালতলা এলাকায় শ্রমিক দল নেতা রবিউল ইসলামের বাসায় এবং চিত্রাশাইলে শ্রমিক দল নেতা সাঈদ হাসান মিঠুর বাসায় পৃথকভাবে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি সাঈদ হাসান মিঠুসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
ঘটনা দুটি হলেও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত একটি ঘটনায় মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। শ্রমিক দল নেতা রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় আব্দুল জব্বার নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে একদল ব্যক্তি আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বাসায় হামলা চালায়। এ সময় বাসায় ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠে। রবিউলকে না পেয়ে তার কর্মচারী হামিমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
রবিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, হাবিব ও হাসান বাহিনীর লোকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাসায় হামলা চালিয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে মিছিল করায় তারা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. হাবিব। তিনি দাবি করেন, তিনি হামলার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন; বরং হামলাকারীরা তার দুই ছেলেকে মারধর করেছে।
অন্যদিকে, ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি সাঈদ হাসান মিঠুর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তার মাথা ও বাঁ হাতে কোপ এবং ডান হাতে গুলি করার অভিযোগ করা হয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে সাঈদ হাসান মিঠুর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে গুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি। দুটি হামলার ঘটনা ঘটলেও একটি ঘটনায় রবিউল ইসলাম লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















