ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo উচ্ছেদে থামছে না ফুটপাত দখল, স্থায়ী সমাধানে পরিকল্পনার তাগিদ Logo অননুমোদিত গুদামে শুল্কমুক্ত মদ: টস বন্ডের চার ওয়্যারহাউস সিলগালা Logo আশুলিয়ায় দুই শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, আহত ৬ Logo বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন Logo আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে মুক্তি দাবি শফিকুর রহমানের Logo দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশনেও বেঁচে গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী Logo দুর্গাপূজায় টানা ৯ দিনের ছুটি পাচ্ছে স্কুলশিক্ষার্থীরা Logo বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার Logo চাঁদা না পেয়ে মারধর ও গুলিবর্ষণ: যুবদলের সাবেক নেতার ৪ দিনের রিমান্ড Logo মুক্তির আগেই ‘দৃশ্যম থ্রি’র অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে রেকর্ড

চাঁদা না পেয়ে মারধর ও গুলিবর্ষণ: যুবদলের সাবেক নেতার ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বাংলামোটরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মারধর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের মামলায় যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) ফেরদৌস আহমেদ সাইমনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় ওমর, মোর্শেদ ও মো. শাওন নামে অপর তিন আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মো. নাসিম আসামিদের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে জানা গেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য তথ্য উদ্ধারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে হাতিরঝিল থানার বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাসার সামনে মো. সোহাগের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে সোহাগের দিকে তাক করেন এবং গুলি করার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে পিস্তলের বাট দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করা হয় এবং অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সোহাগ একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে তার ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন তার সঙ্গে ছিলেন।

এ সময় সাইমনসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে এসে আবারও সোহাগকে মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তিন আসামিকে আটক করেন। কিছুদূর যাওয়ার পর সাইমন ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাকেও আটক করা হয়।

এ ঘটনায় সোহাগ হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১৪ বার পড়া হয়েছে

চাঁদা না পেয়ে মারধর ও গুলিবর্ষণ: যুবদলের সাবেক নেতার ৪ দিনের রিমান্ড

আপডেট সময় ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাংলামোটরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মারধর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের মামলায় যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) ফেরদৌস আহমেদ সাইমনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় ওমর, মোর্শেদ ও মো. শাওন নামে অপর তিন আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মো. নাসিম আসামিদের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে জানা গেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য তথ্য উদ্ধারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে হাতিরঝিল থানার বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাসার সামনে মো. সোহাগের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে সোহাগের দিকে তাক করেন এবং গুলি করার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে পিস্তলের বাট দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করা হয় এবং অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সোহাগ একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে তার ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন তার সঙ্গে ছিলেন।

এ সময় সাইমনসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে এসে আবারও সোহাগকে মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তিন আসামিকে আটক করেন। কিছুদূর যাওয়ার পর সাইমন ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাকেও আটক করা হয়।

এ ঘটনায় সোহাগ হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন।