ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo পাকিস্তানে পুলিশ লাইনে গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৭ Logo এক দিনে তৃণমূলের নাম-প্রতীক হারানো, প্রার্থী প্রত্যাহার ও কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেপ্তার Logo রাজশাহীতে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজনকে থানায় নিল পুলিশ Logo রাজ্জাকের ২০১৬ সালের খসড়ায় স্বাক্ষর হলে জামায়াতের অনেক প্রশ্নের সমাধান হতো: আইনমন্ত্রী Logo ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা: বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে ভারত Logo গফরগাঁওয়ে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১ Logo তেজগাঁও কলেজের মসজিদে গোপন বৈঠক, ২৩ জন আটক Logo রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ Logo ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে যুক্ত হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি

রাজশাহীতে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজনকে থানায় নিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহী নগরীর নাদের হাজির মোড় এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলম ও এক নারীকে বের করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দরজা খোলার চেষ্টা করেও সাড়া না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন এক নারী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও দরজা না খোলায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চন্দ্রিমা থানার নাদের হাজির মোড়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটের বাইরে অবস্থান নেওয়া আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের স্ত্রী দাবি করে দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করছিলেন। তাঁর দাবি, ভেতরে তাঁর স্বামী মাহবুব আলম রয়েছেন। দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।

পরে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে দরজা ভাঙেনি বলে দাবি করেন আন্নি। পরে তাঁর খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখান থেকে মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌ নামে এক নারীকে বের করে আনা হয়। পরে দুজনকেই থানায় নেওয়া হয়।

ফ্ল্যাট থেকে থানায় নেওয়া মাহবুব আলম পুলিশের ইন্সপেক্টর। তিনি ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন। ওই সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে চন্দ্রিমা থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

পরে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তাঁকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়। তবে অনুমতি ছাড়া রাজশাহীতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কমান্ড্যান্ট।

জানা গেছে, মাহবুব আলমের কথিত পালিত মেয়ের নামে নাদের হাজির মোড়ের ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেওয়া। সেখানে তাঁর মেয়ে ও জামাই থাকেন। তবে বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই ফ্ল্যাটে মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌ অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।

থানায় মাহবুব আলম দাবি করেন, সানজিদা মৌ তাঁর স্ত্রী। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে ফ্ল্যাটের বাইরে থাকা আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের ষষ্ঠ স্ত্রী দাবি করেন। মাহবুবের দাবি, চার দিন আগে তিনি আন্নিকে তালাক দিয়েছেন।

নওগাঁর বাসিন্দা আন্নি আক্তার একজন নারী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট নির্মাতা। তাঁর অভিযোগ, চলতি বছরের শুরুতে মাহবুব আলম তাঁকে বিয়ে করেন। পরে তিনি জানতে পারেন, মাহবুব যে জেলায় কর্মরত থাকেন, সেখানে গিয়ে একাধিক নারীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের বা সম্পর্কের বিষয় রয়েছে।

আন্নির দাবি, রাজশাহীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় মাহবুব আলমের একটি নিজস্ব ফ্ল্যাট রয়েছে। এর আগেও সেখানে সানজিদা মৌকে মাহবুবের সঙ্গে পেয়েছিলেন তিনি। তখন সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি প্রকাশ করেননি।

আন্নির ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি জানতে পারেন মাহবুব তাঁর কথিত পালিত মেয়ের ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাটে গেছেন এবং সেখানে সানজিদা মৌও রয়েছেন। খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে তিনি সেখানে যান। দীর্ঘ সময় দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন করেন।

আন্নি আরও দাবি করেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পরও মাহবুব ও সানজিদা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখেন। পুলিশ ফোন করে দরজা খুলতে বললেও মাহবুব দরজা খোলেননি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা খোলা হলে মাহবুব সানজিদাকে তাঁর স্ত্রী বলে পরিচয় দেন।

থানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুব আলম। তিনি বলেন, আন্নিকে তিনি তালাক দিয়েছেন এবং এ-সংক্রান্ত একটি কাগজ পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। তবে সানজিদার সঙ্গে তাঁর বিয়ের কাবিননামা তিনি দেখাতে পারেননি।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চার দিন আগে আন্নিকে তালাক দেওয়ার একটি কাগজ মাহবুব আলম দিয়েছেন। তবে আন্নি জানিয়েছেন, তিনি তালাকের কোনো কাগজ হাতে পাননি।

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করার কথা জানিয়েছেন আন্নি। শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ লেখার কাজ শুরু হয়। তখন মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌকে থানার পৃথক দুটি কক্ষে রাখা হয়। মাহবুবের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিও জানান আন্নি।

চন্দ্রিমা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা থানায় আসবেন। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ বলেন, মাহবুব আলমের কোনো ছুটি নেই এবং কাউকে জানিয়ে তিনি রাজশাহীতে যাননি। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা অপরাধ বলেও জানান তিনি।

মোস্তাক আহমেদ আরও বলেন, মাহবুব আলম ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত থাকলেও নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৫১৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজনকে থানায় নিল পুলিশ

আপডেট সময় ১০:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহী নগরীর নাদের হাজির মোড় এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলম ও এক নারীকে বের করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দরজা খোলার চেষ্টা করেও সাড়া না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন এক নারী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও দরজা না খোলায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চন্দ্রিমা থানার নাদের হাজির মোড়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটের বাইরে অবস্থান নেওয়া আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের স্ত্রী দাবি করে দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করছিলেন। তাঁর দাবি, ভেতরে তাঁর স্বামী মাহবুব আলম রয়েছেন। দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।

পরে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে দরজা ভাঙেনি বলে দাবি করেন আন্নি। পরে তাঁর খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখান থেকে মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌ নামে এক নারীকে বের করে আনা হয়। পরে দুজনকেই থানায় নেওয়া হয়।

ফ্ল্যাট থেকে থানায় নেওয়া মাহবুব আলম পুলিশের ইন্সপেক্টর। তিনি ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন। ওই সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে চন্দ্রিমা থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

পরে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তাঁকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়। তবে অনুমতি ছাড়া রাজশাহীতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কমান্ড্যান্ট।

জানা গেছে, মাহবুব আলমের কথিত পালিত মেয়ের নামে নাদের হাজির মোড়ের ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেওয়া। সেখানে তাঁর মেয়ে ও জামাই থাকেন। তবে বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই ফ্ল্যাটে মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌ অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।

থানায় মাহবুব আলম দাবি করেন, সানজিদা মৌ তাঁর স্ত্রী। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে ফ্ল্যাটের বাইরে থাকা আন্নি আক্তার নিজেকে মাহবুব আলমের ষষ্ঠ স্ত্রী দাবি করেন। মাহবুবের দাবি, চার দিন আগে তিনি আন্নিকে তালাক দিয়েছেন।

নওগাঁর বাসিন্দা আন্নি আক্তার একজন নারী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট নির্মাতা। তাঁর অভিযোগ, চলতি বছরের শুরুতে মাহবুব আলম তাঁকে বিয়ে করেন। পরে তিনি জানতে পারেন, মাহবুব যে জেলায় কর্মরত থাকেন, সেখানে গিয়ে একাধিক নারীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের বা সম্পর্কের বিষয় রয়েছে।

আন্নির দাবি, রাজশাহীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় মাহবুব আলমের একটি নিজস্ব ফ্ল্যাট রয়েছে। এর আগেও সেখানে সানজিদা মৌকে মাহবুবের সঙ্গে পেয়েছিলেন তিনি। তখন সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি প্রকাশ করেননি।

আন্নির ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি জানতে পারেন মাহবুব তাঁর কথিত পালিত মেয়ের ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাটে গেছেন এবং সেখানে সানজিদা মৌও রয়েছেন। খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে তিনি সেখানে যান। দীর্ঘ সময় দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন করেন।

আন্নি আরও দাবি করেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পরও মাহবুব ও সানজিদা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখেন। পুলিশ ফোন করে দরজা খুলতে বললেও মাহবুব দরজা খোলেননি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা খোলা হলে মাহবুব সানজিদাকে তাঁর স্ত্রী বলে পরিচয় দেন।

থানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুব আলম। তিনি বলেন, আন্নিকে তিনি তালাক দিয়েছেন এবং এ-সংক্রান্ত একটি কাগজ পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। তবে সানজিদার সঙ্গে তাঁর বিয়ের কাবিননামা তিনি দেখাতে পারেননি।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চার দিন আগে আন্নিকে তালাক দেওয়ার একটি কাগজ মাহবুব আলম দিয়েছেন। তবে আন্নি জানিয়েছেন, তিনি তালাকের কোনো কাগজ হাতে পাননি।

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করার কথা জানিয়েছেন আন্নি। শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ লেখার কাজ শুরু হয়। তখন মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌকে থানার পৃথক দুটি কক্ষে রাখা হয়। মাহবুবের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিও জানান আন্নি।

চন্দ্রিমা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, মাহবুব আলম ও সানজিদা মৌয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা থানায় আসবেন। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ বলেন, মাহবুব আলমের কোনো ছুটি নেই এবং কাউকে জানিয়ে তিনি রাজশাহীতে যাননি। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা অপরাধ বলেও জানান তিনি।

মোস্তাক আহমেদ আরও বলেন, মাহবুব আলম ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত থাকলেও নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত। বিষয়টি নওগাঁ জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।