ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন, জরিমানা ৩ লাখ টাকা

উজ্জ্বল বড়ুয়া লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত দুইটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় ভাটার মালিকদের কাছ থেকে মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাত জাহান ইতু।

অভিযানে ফরিদ কোম্পানির বিবিএম ব্রিকস এবং শাহরিয়ার মো. বাবুর মালিকানাধীন এসএমবি ব্রিকস নামের দুটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। পাহাড় কর্তনের দায়ে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী বিবিএম ব্রিকসকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় এবং দুই হাজার ঘনফুট জ্বালানি কাঠ জব্দ করা হয়। অপরদিকে এসএমবি ব্রিকসকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। ফলে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় তিন লক্ষ টাকা। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন মো. রেজাউল করিম, সহকারী পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়।

এছাড়া মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১২০৪/২০২২ এর আদেশ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯ অনুযায়ী অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে স্কেভেটর মেশিন ব্যবহার করে ইটভাটার কিলন ভেঙে সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন, ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা এবং উপজেলা আনসার সদস্যগণ।

পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৩৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৭১৮ বার পড়া হয়েছে

নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন, জরিমানা ৩ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০১:৩৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত দুইটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় ভাটার মালিকদের কাছ থেকে মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাত জাহান ইতু।

অভিযানে ফরিদ কোম্পানির বিবিএম ব্রিকস এবং শাহরিয়ার মো. বাবুর মালিকানাধীন এসএমবি ব্রিকস নামের দুটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। পাহাড় কর্তনের দায়ে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী বিবিএম ব্রিকসকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় এবং দুই হাজার ঘনফুট জ্বালানি কাঠ জব্দ করা হয়। অপরদিকে এসএমবি ব্রিকসকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। ফলে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় তিন লক্ষ টাকা। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন মো. রেজাউল করিম, সহকারী পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়।

এছাড়া মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১২০৪/২০২২ এর আদেশ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯ অনুযায়ী অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে স্কেভেটর মেশিন ব্যবহার করে ইটভাটার কিলন ভেঙে সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন, ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা এবং উপজেলা আনসার সদস্যগণ।

পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।