ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

শিক্ষামন্ত্রী হলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন

লায়ন ড. এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে। ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।
কচুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন। এবং শিক্ষা মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কচুয়ার সন্তান মিজানুর রহমান ঢালী

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৪৬৪৫ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী হলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে। ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।
কচুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন। এবং শিক্ষা মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কচুয়ার সন্তান মিজানুর রহমান ঢালী