ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বুথফেরত সমীক্ষা ‘টাকা দিয়ে করানো’, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। Logo সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুই মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন। Logo রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করার দাবি নাহিদ ইসলামের Logo শত্রুপক্ষ ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে, নতুন অস্ত্র নিয়ে ইরানের বার্তা Logo ঢাকা জেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শামীমা পারভীন শিল্পি Logo হরমুজে অবরোধ, পারস্য উপসাগরে আটকা ২০ হাজার নাবিক Logo চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত Logo উগান্ডায় অবৈধ অভিবাসন বিরোধী অভিযান: বাংলাদেশিসহ ২৩১ বিদেশি আটক Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদে আনার দাবি রুমিন ফারহানার Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ ক্রয়ে চুক্তি করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

শিক্ষামন্ত্রী হলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন

লায়ন ড. এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে। ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।
কচুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন। এবং শিক্ষা মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কচুয়ার সন্তান মিজানুর রহমান ঢালী

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৪৫৯২ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

শিক্ষামন্ত্রী হলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে। ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।
কচুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন। এবং শিক্ষা মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কচুয়ার সন্তান মিজানুর রহমান ঢালী