ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বুথফেরত সমীক্ষা ‘টাকা দিয়ে করানো’, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। Logo সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুই মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন। Logo রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করার দাবি নাহিদ ইসলামের Logo শত্রুপক্ষ ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে, নতুন অস্ত্র নিয়ে ইরানের বার্তা Logo ঢাকা জেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শামীমা পারভীন শিল্পি Logo হরমুজে অবরোধ, পারস্য উপসাগরে আটকা ২০ হাজার নাবিক Logo চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত Logo উগান্ডায় অবৈধ অভিবাসন বিরোধী অভিযান: বাংলাদেশিসহ ২৩১ বিদেশি আটক Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদে আনার দাবি রুমিন ফারহানার Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ ক্রয়ে চুক্তি করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা-রেহানা-টিউলিপ দণ্ডিত

নিজস্ব সংবাদ :

রাজধানীর পূর্বাচলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ বছর, তার বোন শেখ রেহানার ৭ বছর এবং শেখ রেহানার মেয়ে বৃটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি টিউলিপ সিদ্দিককে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও শেখ রেহানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া, এই মামলার অন্য ১৪ আসামিকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম মামলার রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আদালত সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের আইনজীবীরা জানান, এই রায়ে তাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান বলেন, আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। যে কারণে আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু সেটা হয়নি। কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে তাকে এজলাসে তোলা হয়। বিচারক রবিউল আলম ১১টা ২৯ মিনিটে এজলাসে ওঠেন। উঠেই তিনি বলেন, আমি বাংলায় রায় দেবো  যেহেতু আমি বাঙালি। এরপর রায় পড়া শুরু করেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মহান আল্লাহর বাণী হলো পাপ ও জুলুমের ক্ষেত্রে একে অপরকে সহায়তা করো না। অথচ আবাসন সুবিধা থাকার পরও জালিয়াতির মাধ্যমে প্লট নিয়েছেন শেখ হাসিনা। দুর্নীতির মাধ্যমে প্লট দিয়েছেন বোন শেখ রেহানাকে। আর মা-খালাকে প্ররোচনা দিয়েছেন টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক। সমাজের মানুষকে এই দুর্নীতি রুখে দিতে হবে। দুর্নীতি বর্তমানে রোগে পরিণত হয়েছে।

দুর্নীতি সমগ্র সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। আমাদের সমাজের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে, রুখে দাঁড়াতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় পৃথিবীর যেকোনো দেশে থাকলেও বিচারের এখতিয়ার আদালতের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিচারক। হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপ ছাড়া এই মামলার অন্য ১৪ আসামি হলেন- জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, একই মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) মো. আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক চার সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী; রাজউকের সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। ১৭ আসামির মধ্যে খুরশীদ আলম কারাগারে আছেন। রায় ঘোষণার সময় বৃটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও স্কাই নিউজের সাংবাদিকরা আদালত চত্বরে ছিলেন। যুক্তরাজ্যের সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানও ছিলেন সেখানে।

যে কারণে টিউলিপের সাজা:
বাংলাদেশের আদালতে প্রথমবারের মতো কোনো বৃটিশ এমপি দণ্ডিত হয়েছেন। শেখ হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে পূর্বাচলের ছয়টি প্লট নিয়ে ছয়টি মামলা হয়েছে। এর একটি প্লটও যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য, সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের নামে নেই। কিন্তু তিনটি মামলায় তিনি আসামি। একটিতে তার কারাদণ্ড হলো। সাজা দেয়ার কারণ হলো, তিনি তার মা শেখ রেহানার নামে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দে তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েছিলেন। টিউলিপকে প্রিভেনশন অব করাপশন অ্যাক্ট ১৯৪৭এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। রায়ে আদালত বলেছেন, আসামি টিউলিপ সিদ্দিক তার খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব সালাহ উদ্দিনকে মোবাইল, ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপসহ সরাসরি যোগাযোগ করে প্রভাবিত করেছেন বলে সাক্ষীদের জবানবন্দির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।
রায় প্রসঙ্গে টিউলিপ

এটি ‘ক্যাঙ্গারু আদালতের ফল’
প্লট দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশের আদালতের দেয়া রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বৃটিশ পার্লামেন্টের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক। সোমবার রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বৃটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে এ কথা বলেন তিনি। টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, একটি ‘ক্যাঙ্গারু আদালতের ফল’ যেমন অনুমানযোগ্য, তেমনি অযৌক্তিক। আমি আশা করি, এই তথাকথিত রায় যে অবজ্ঞা পাওয়ার যোগ্য, তা পাবে। আমার মনোযোগ সব সময় আমার হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেটের ভোটারদের প্রতি। আমি বাংলাদেশের এই নোংরা রাজনীতি দ্বারা মনোযোগ হারাতে চাই না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৬৩৪ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা-রেহানা-টিউলিপ দণ্ডিত

আপডেট সময় ১২:৫৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর পূর্বাচলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ বছর, তার বোন শেখ রেহানার ৭ বছর এবং শেখ রেহানার মেয়ে বৃটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি টিউলিপ সিদ্দিককে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও শেখ রেহানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া, এই মামলার অন্য ১৪ আসামিকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম মামলার রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আদালত সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের আইনজীবীরা জানান, এই রায়ে তাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান বলেন, আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। যে কারণে আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু সেটা হয়নি। কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে তাকে এজলাসে তোলা হয়। বিচারক রবিউল আলম ১১টা ২৯ মিনিটে এজলাসে ওঠেন। উঠেই তিনি বলেন, আমি বাংলায় রায় দেবো  যেহেতু আমি বাঙালি। এরপর রায় পড়া শুরু করেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মহান আল্লাহর বাণী হলো পাপ ও জুলুমের ক্ষেত্রে একে অপরকে সহায়তা করো না। অথচ আবাসন সুবিধা থাকার পরও জালিয়াতির মাধ্যমে প্লট নিয়েছেন শেখ হাসিনা। দুর্নীতির মাধ্যমে প্লট দিয়েছেন বোন শেখ রেহানাকে। আর মা-খালাকে প্ররোচনা দিয়েছেন টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক। সমাজের মানুষকে এই দুর্নীতি রুখে দিতে হবে। দুর্নীতি বর্তমানে রোগে পরিণত হয়েছে।

দুর্নীতি সমগ্র সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। আমাদের সমাজের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে, রুখে দাঁড়াতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় পৃথিবীর যেকোনো দেশে থাকলেও বিচারের এখতিয়ার আদালতের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিচারক। হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপ ছাড়া এই মামলার অন্য ১৪ আসামি হলেন- জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, একই মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) মো. আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক চার সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী; রাজউকের সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। ১৭ আসামির মধ্যে খুরশীদ আলম কারাগারে আছেন। রায় ঘোষণার সময় বৃটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও স্কাই নিউজের সাংবাদিকরা আদালত চত্বরে ছিলেন। যুক্তরাজ্যের সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানও ছিলেন সেখানে।

যে কারণে টিউলিপের সাজা:
বাংলাদেশের আদালতে প্রথমবারের মতো কোনো বৃটিশ এমপি দণ্ডিত হয়েছেন। শেখ হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে পূর্বাচলের ছয়টি প্লট নিয়ে ছয়টি মামলা হয়েছে। এর একটি প্লটও যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য, সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের নামে নেই। কিন্তু তিনটি মামলায় তিনি আসামি। একটিতে তার কারাদণ্ড হলো। সাজা দেয়ার কারণ হলো, তিনি তার মা শেখ রেহানার নামে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দে তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েছিলেন। টিউলিপকে প্রিভেনশন অব করাপশন অ্যাক্ট ১৯৪৭এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। রায়ে আদালত বলেছেন, আসামি টিউলিপ সিদ্দিক তার খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব সালাহ উদ্দিনকে মোবাইল, ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপসহ সরাসরি যোগাযোগ করে প্রভাবিত করেছেন বলে সাক্ষীদের জবানবন্দির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।
রায় প্রসঙ্গে টিউলিপ

এটি ‘ক্যাঙ্গারু আদালতের ফল’
প্লট দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশের আদালতের দেয়া রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বৃটিশ পার্লামেন্টের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক। সোমবার রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বৃটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে এ কথা বলেন তিনি। টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, একটি ‘ক্যাঙ্গারু আদালতের ফল’ যেমন অনুমানযোগ্য, তেমনি অযৌক্তিক। আমি আশা করি, এই তথাকথিত রায় যে অবজ্ঞা পাওয়ার যোগ্য, তা পাবে। আমার মনোযোগ সব সময় আমার হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেটের ভোটারদের প্রতি। আমি বাংলাদেশের এই নোংরা রাজনীতি দ্বারা মনোযোগ হারাতে চাই না।