ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খুলনায় বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলি-ভাঙচুরের অভিযোগ Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান Logo হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী Logo তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন গুতেরেস ; প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo ডিএমপির ১১ কর্মকর্তাকে রদবদল Logo জাতিসংঘে তারেক রহমানের বক্তব্যে শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে: ওলামা দলের বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী Logo আওয়ামী লীগকে ফেরানোর ইন্ধন দিচ্ছে সরকারের একটি অংশ: গোলাম পরওয়ার Logo জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণ: শান্তি, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের অবস্থান Logo জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক Logo জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ, ওয়াকআউট করলেন কয়েক ডজন প্রতিনিধি

জাতিসংঘে তারেক রহমানের বক্তব্যে শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে: ওলামা দলের বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যে বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, অস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তি, তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতাকে পরিবর্তনের হাতিয়ার করতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, জাতিসংঘে তারেক রহমান তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার বাবা ১৯৮০ সালে এবং মা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। তাদেরই ছেলে হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে শ্রদ্ধাশীল সম্পর্ক বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সারা বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়, যুদ্ধ চায় না। যুদ্ধ হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, খাদ্য, জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বাড়ে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ বেকার হয়ে পড়ে।

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, কোনো ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ঝড়-বাতাস আসুক, দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং আগুন দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারা বন্ধ করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি কোনো নির্বাচন ছাড়া বা ‘মিডনাইট নির্বাচন’-এর মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ও বিএনপির জোট ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপির সরকার মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য কাজ করছে।

জাতীয়তাবাদী ওলামা দলকে বিএনপি সরকারের একটি অংশ উল্লেখ করে রিজভী বলেন, দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির এ দেশে কোনো অবস্থান নেই। যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশে পরিণত করতে চায় এবং তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল ও বিএনপি রাজপথে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সমাবেশে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা কাজী সেলিম রেজা, সদস্যসচিব কাজী মাওলানা আবুল হোসেন, প্রিন্সিপ্যাল কাজী নজরুল ইসলাম তালুকদার ও ড. মো. সলিম উল্লাহ সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৫১৩ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘে তারেক রহমানের বক্তব্যে শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে: ওলামা দলের বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

আপডেট সময় ১০:৪১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যে বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, অস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তি, তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতাকে পরিবর্তনের হাতিয়ার করতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, জাতিসংঘে তারেক রহমান তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার বাবা ১৯৮০ সালে এবং মা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। তাদেরই ছেলে হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে শ্রদ্ধাশীল সম্পর্ক বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সারা বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়, যুদ্ধ চায় না। যুদ্ধ হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, খাদ্য, জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বাড়ে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ বেকার হয়ে পড়ে।

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, কোনো ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ঝড়-বাতাস আসুক, দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং আগুন দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারা বন্ধ করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি কোনো নির্বাচন ছাড়া বা ‘মিডনাইট নির্বাচন’-এর মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ও বিএনপির জোট ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপির সরকার মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য কাজ করছে।

জাতীয়তাবাদী ওলামা দলকে বিএনপি সরকারের একটি অংশ উল্লেখ করে রিজভী বলেন, দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির এ দেশে কোনো অবস্থান নেই। যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশে পরিণত করতে চায় এবং তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল ও বিএনপি রাজপথে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সমাবেশে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা কাজী সেলিম রেজা, সদস্যসচিব কাজী মাওলানা আবুল হোসেন, প্রিন্সিপ্যাল কাজী নজরুল ইসলাম তালুকদার ও ড. মো. সলিম উল্লাহ সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।