ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন মাইলফলক, সই হলো ১৩ সমঝোতা স্মারক ও ২ চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং ২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব সমঝোতা ও চুক্তি সই হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) জানিয়েছে, এসব সমঝোতা দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরদিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।

তিনি বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করা, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নেওয়া এবং দেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।

মাহদী আমিন আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠাও এ সফরের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
৪৫৮৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন মাইলফলক, সই হলো ১৩ সমঝোতা স্মারক ও ২ চুক্তি

আপডেট সময় ১১:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং ২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব সমঝোতা ও চুক্তি সই হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) জানিয়েছে, এসব সমঝোতা দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরদিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।

তিনি বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করা, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নেওয়া এবং দেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।

মাহদী আমিন আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠাও এ সফরের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।