বন্ধ হওয়া সব কারখানা দ্রুত চালু করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তাদের দল ক্ষমতায় এলে বন্ধ হয়ে থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। ধাপে ধাপে সব কারখানা সচল করা হবে, যাতে শ্রমিকরা আবার কাজে ফিরতে পারেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি জানান, দেশের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি নিজেকেও একজন শ্রমিক হিসেবে দেখতে চান এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যাতে সম্মিলিতভাবে দেশ গড়ার প্রচেষ্টা জোরদার হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বসবাস করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে তারা সময়মতো প্রয়োজনীয় পানি পান না। এই সমস্যা সমাধানে খাল খননের মতো কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কৃষক ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত করা গেলে দেশের সামগ্রিক অবস্থারও উন্নতি হবে বলে তিনি মনে করেন।
ক্রীড়া খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে দক্ষ ও পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পরিবারের সন্তানদের মধ্যে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে, যাদের খুঁজে বের করে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি জানান, প্রতিভা অন্বেষণে “নতুন কুঁড়ি” ধরনের উদ্যোগ পুনরায় চালু করা হবে। অতীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে তরুণ প্রতিভা খুঁজে বের করেছিলেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায় বিএনপি। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।
সমাবেশে শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।





















