ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিরোধী দলের অসুস্থ এমপির খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo জামিন পেলেন এমপি ‘আমির হামজা‘ Logo প্রথমবারের মত চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ Logo ‘অক্ষত‘ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ধার করে নকল তৈরিতে মরিয়া ইরান Logo বিরোধীদলের ‘অস্থিরতা’ নিয়ে মন্তব্যে সংসদে উত্তাপ Logo শেরেবাংলা ছিলেন সর্বভারতীয় রাজনীতির অবিসংবাদিত নেতা: প্রধানমন্ত্রী Logo একনেক সভায় ১৫ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo সাভারে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত Logo প্রশাসনে বড় রদবদলঃ গুরুত্বপূর্ণ ১৫ দপ্তরে নতুন প্রধান নিয়োগ

রাজশাহীতে পুকুর উদ্ধারে প্রশাসনের অভিযান

আবু কাওসার মাখন, রাজশাহী
রাজশাহী মহানগরীর পঞ্চবটি আহমপুর এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর ভরাটের অভিযোগ পেয়ে তা উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে কৌশলে ধীরগতিতে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে পুকুরের সিংহভাগ অংশ মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলা হলেও মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে পুকুর ভরাটে জড়িতরা আগেই সরে পড়ে। বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন এবং বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুকুরটির মালিকানা রয়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জনের। তবে ভরাটের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন মালিকপক্ষের ৭ থেকে ৮ জন। এদের মধ্যে আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন ও তারা উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই পুকুরটি প্রায় এক বছর ধরে ধীরে ধীরে ভরাট করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন। কিন্তু সতর্কতা উপেক্ষা করায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো অবস্থাতেই পুকুর ভরাট করা যাবে না। আইন অনুযায়ী পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই পুনঃখননের সব ব্যয় পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে কোনো পুকুর ভরাটের চেষ্টা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, পুকুর পুনঃখনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভরাট করা পুকুর পুনরুদ্ধার করাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম যে পাশের একটি ভবন ভেঙে তার ইট ও খোয়া ব্যবহার করে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার স্যারকেও জানানো হয়। তার নির্দেশেই আমরা পুকুরটি পুনরায় খননের উদ্যোগ নিয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এটি ভরাট করতে না পারে।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
৪৫৮৮ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

রাজশাহীতে পুকুর উদ্ধারে প্রশাসনের অভিযান

আপডেট সময় ১২:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
রাজশাহী মহানগরীর পঞ্চবটি আহমপুর এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর ভরাটের অভিযোগ পেয়ে তা উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে কৌশলে ধীরগতিতে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে পুকুরের সিংহভাগ অংশ মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলা হলেও মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে পুকুর ভরাটে জড়িতরা আগেই সরে পড়ে। বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন এবং বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুকুরটির মালিকানা রয়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জনের। তবে ভরাটের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন মালিকপক্ষের ৭ থেকে ৮ জন। এদের মধ্যে আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন ও তারা উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই পুকুরটি প্রায় এক বছর ধরে ধীরে ধীরে ভরাট করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন। কিন্তু সতর্কতা উপেক্ষা করায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো অবস্থাতেই পুকুর ভরাট করা যাবে না। আইন অনুযায়ী পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই পুনঃখননের সব ব্যয় পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে কোনো পুকুর ভরাটের চেষ্টা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, পুকুর পুনঃখনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভরাট করা পুকুর পুনরুদ্ধার করাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম যে পাশের একটি ভবন ভেঙে তার ইট ও খোয়া ব্যবহার করে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল। এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার স্যারকেও জানানো হয়। তার নির্দেশেই আমরা পুকুরটি পুনরায় খননের উদ্যোগ নিয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এটি ভরাট করতে না পারে।