ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

মায়ের মাগফিরাত কামনায় আজাদ মসজিদে তারেক রহমান

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল পৃথক পৃথকভাবে এসব দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। শুক্রবার বাদ আসর খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। মায়ের দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাহফিলে মা খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন তিনি।  তারেক রহমান ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরীসহ অনেকে।

মসজিদে নারীদের পৃথক নামাজের স্থান থেকে দোয়ায় অংশ নেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, তার মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং স্বজনেরা। বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষজন এই দোয়ায় অংশ নেন। গতকাল বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করা হয়। এরপর দোয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতের বাসিন্দা করেন- এ কামনাও করা হয়।

ওদিকে শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন তারেক রহমান। নামাজ শেষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে যান। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গতকাল দেশ জুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়েছে। এদিন দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গতকাল জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২রা জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত এই ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনেও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। গত ৩০শে ডিসেম্বর খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
৪৬৬৬ বার পড়া হয়েছে

মায়ের মাগফিরাত কামনায় আজাদ মসজিদে তারেক রহমান

আপডেট সময় ০১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল পৃথক পৃথকভাবে এসব দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। শুক্রবার বাদ আসর খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। মায়ের দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাহফিলে মা খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন তিনি।  তারেক রহমান ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরীসহ অনেকে।

মসজিদে নারীদের পৃথক নামাজের স্থান থেকে দোয়ায় অংশ নেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, তার মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং স্বজনেরা। বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষজন এই দোয়ায় অংশ নেন। গতকাল বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করা হয়। এরপর দোয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতের বাসিন্দা করেন- এ কামনাও করা হয়।

ওদিকে শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন তারেক রহমান। নামাজ শেষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে যান। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গতকাল দেশ জুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়েছে। এদিন দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গতকাল জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২রা জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত এই ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনেও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। গত ৩০শে ডিসেম্বর খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।