ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বুথফেরত সমীক্ষা ‘টাকা দিয়ে করানো’, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। Logo সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুই মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন। Logo রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করার দাবি নাহিদ ইসলামের Logo শত্রুপক্ষ ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে, নতুন অস্ত্র নিয়ে ইরানের বার্তা Logo ঢাকা জেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শামীমা পারভীন শিল্পি Logo হরমুজে অবরোধ, পারস্য উপসাগরে আটকা ২০ হাজার নাবিক Logo চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত Logo উগান্ডায় অবৈধ অভিবাসন বিরোধী অভিযান: বাংলাদেশিসহ ২৩১ বিদেশি আটক Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদে আনার দাবি রুমিন ফারহানার Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ ক্রয়ে চুক্তি করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

মায়ের মাগফিরাত কামনায় আজাদ মসজিদে তারেক রহমান

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল পৃথক পৃথকভাবে এসব দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। শুক্রবার বাদ আসর খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। মায়ের দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাহফিলে মা খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন তিনি।  তারেক রহমান ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরীসহ অনেকে।

মসজিদে নারীদের পৃথক নামাজের স্থান থেকে দোয়ায় অংশ নেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, তার মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং স্বজনেরা। বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষজন এই দোয়ায় অংশ নেন। গতকাল বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করা হয়। এরপর দোয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতের বাসিন্দা করেন- এ কামনাও করা হয়।

ওদিকে শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন তারেক রহমান। নামাজ শেষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে যান। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গতকাল দেশ জুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়েছে। এদিন দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গতকাল জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২রা জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত এই ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনেও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। গত ৩০শে ডিসেম্বর খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
৪৬৩৮ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

মায়ের মাগফিরাত কামনায় আজাদ মসজিদে তারেক রহমান

আপডেট সময় ০১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল পৃথক পৃথকভাবে এসব দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। শুক্রবার বাদ আসর খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। মায়ের দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাহফিলে মা খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন তিনি।  তারেক রহমান ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরীসহ অনেকে।

মসজিদে নারীদের পৃথক নামাজের স্থান থেকে দোয়ায় অংশ নেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, তার মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং স্বজনেরা। বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষজন এই দোয়ায় অংশ নেন। গতকাল বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করা হয়। এরপর দোয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতের বাসিন্দা করেন- এ কামনাও করা হয়।

ওদিকে শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন তারেক রহমান। নামাজ শেষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে যান। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গতকাল দেশ জুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়েছে। এদিন দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গতকাল জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২রা জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত এই ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনেও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। গত ৩০শে ডিসেম্বর খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।