ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর চার দিন আগে জীবন নিয়ে যা বলেছিলেন নানা পাটেকার

বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারকে ঘিরে জীবন ও মৃত্যু নিয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগে, গত ৪ অক্টোবর ভারতের গোয়ার দোনা পাউলায় একটি অনুষ্ঠানে জীবন, দায়িত্ব ও কাজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি—এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

অনুষ্ঠানে নানা পাটেকার বলেছিলেন, একদিন সবাইকেই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। এমনকি পরদিন তিনি বেঁচে থাকবেন কি না, সেটিও তাঁর জানা নেই। তাই মৃত্যুর আগে প্রত্যেকের নিজের কাছে প্রশ্ন করা উচিত—যা করার ইচ্ছা ছিল, তা করতে পেরেছেন কি না এবং যতটা চেষ্টা করা প্রয়োজন ছিল, ততটা সততার সঙ্গে চেষ্টা করেছেন কি না।

নানা আরও বলেছিলেন, জীবন যদি শুধু স্ত্রী, সন্তান ও ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য কী? তাঁর মতে, প্রত্যেক মানুষেরই সমাজ ও দেশের জন্য কিছু না কিছু করে যাওয়া উচিত।

জীবনের প্রতি এমন দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি বক্তব্যে উঠে এসেছিল কাজের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ। থিয়েটারের প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়ে যত দিন সম্ভব কাজ করে যাওয়ার ইচ্ছার কথাও বলেছিলেন এই অভিনেতা।

অভিনয়জীবনে নানা পাটেকার

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় নানা পাটেকারের। এরপর একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজের স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীর পরিচয় দেন তিনি। প্রায় একশ সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেতা অভিনয়ের পাশাপাশি প্লেব্যাক গায়ক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। ‘যশবন্ত’, ‘ওয়াজুদ’ ও ‘আঁচ’সহ বিভিন্ন সিনেমায় কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

২০১৩ সালে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মাননা লাভ করেন নানা পাটেকার। ২০১৬ সালে মারাঠি সিনেমা ‘নটসম্রাট’-এ অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি।

মুক্তির অপেক্ষায় দুই সিনেমা

নানা পাটেকারের অভিনীত দুটি সিনেমা ‘ইথা’ ও ‘শক্তিশালিনী’ এখনও মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সিনেমা দুটি চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে মুক্তি পেতে পারে। এর মধ্যে ‘ইথা’ ডিসেম্বরের শুরুর দিকে এবং ‘শক্তিশালিনী’ মাসের শেষ দিকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। তবে মুক্তির তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১৪ বার পড়া হয়েছে

মৃত্যুর চার দিন আগে জীবন নিয়ে যা বলেছিলেন নানা পাটেকার

আপডেট সময় ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারকে ঘিরে জীবন ও মৃত্যু নিয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগে, গত ৪ অক্টোবর ভারতের গোয়ার দোনা পাউলায় একটি অনুষ্ঠানে জীবন, দায়িত্ব ও কাজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি—এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

অনুষ্ঠানে নানা পাটেকার বলেছিলেন, একদিন সবাইকেই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। এমনকি পরদিন তিনি বেঁচে থাকবেন কি না, সেটিও তাঁর জানা নেই। তাই মৃত্যুর আগে প্রত্যেকের নিজের কাছে প্রশ্ন করা উচিত—যা করার ইচ্ছা ছিল, তা করতে পেরেছেন কি না এবং যতটা চেষ্টা করা প্রয়োজন ছিল, ততটা সততার সঙ্গে চেষ্টা করেছেন কি না।

নানা আরও বলেছিলেন, জীবন যদি শুধু স্ত্রী, সন্তান ও ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য কী? তাঁর মতে, প্রত্যেক মানুষেরই সমাজ ও দেশের জন্য কিছু না কিছু করে যাওয়া উচিত।

জীবনের প্রতি এমন দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি বক্তব্যে উঠে এসেছিল কাজের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ। থিয়েটারের প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়ে যত দিন সম্ভব কাজ করে যাওয়ার ইচ্ছার কথাও বলেছিলেন এই অভিনেতা।

অভিনয়জীবনে নানা পাটেকার

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় নানা পাটেকারের। এরপর একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজের স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীর পরিচয় দেন তিনি। প্রায় একশ সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেতা অভিনয়ের পাশাপাশি প্লেব্যাক গায়ক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। ‘যশবন্ত’, ‘ওয়াজুদ’ ও ‘আঁচ’সহ বিভিন্ন সিনেমায় কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

২০১৩ সালে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মাননা লাভ করেন নানা পাটেকার। ২০১৬ সালে মারাঠি সিনেমা ‘নটসম্রাট’-এ অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি।

মুক্তির অপেক্ষায় দুই সিনেমা

নানা পাটেকারের অভিনীত দুটি সিনেমা ‘ইথা’ ও ‘শক্তিশালিনী’ এখনও মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সিনেমা দুটি চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে মুক্তি পেতে পারে। এর মধ্যে ‘ইথা’ ডিসেম্বরের শুরুর দিকে এবং ‘শক্তিশালিনী’ মাসের শেষ দিকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। তবে মুক্তির তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।