ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরে ঢাকায় চালু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তাদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনে আগামী ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ চালু হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ঢাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগ ও ৬৪ জেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার বক্তব্য দেন।

মন্ত্রী জানান, দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেস তৈরি করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মীর চাহিদার তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ও অফলাইন ডাটাবেস তৈরি করা হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা হবে।

মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু ও দেশব্যাপী ক্যারিয়ার ফেয়ার আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা চাকরিপ্রার্থীদেরও শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নকেও এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। আধুনিক শ্রমবাজারে কোন খাতে কী ধরনের দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার স্থাপন করা হবে। নিবন্ধিত চাকরিপ্রার্থীরা তাঁদের শিক্ষা ও যোগ্যতা অনুযায়ী শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরাসরি সহায়তা পাবেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে একটি সমন্বিত ধারণাপত্র তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরাসরি বড় কোনো অধিদপ্তর গঠন না করে ছয় মাস থেকে এক বছরের পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তীতে এটি সারাদেশে পূর্ণাঙ্গভাবে সম্প্রসারণ করা হবে।

ব্রিফিংয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিক, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১০ বার পড়া হয়েছে

ডিসেম্বরে ঢাকায় চালু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার

আপডেট সময় ০৯:০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তাদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনে আগামী ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ চালু হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ঢাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগ ও ৬৪ জেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার বক্তব্য দেন।

মন্ত্রী জানান, দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেস তৈরি করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মীর চাহিদার তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ও অফলাইন ডাটাবেস তৈরি করা হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা হবে।

মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু ও দেশব্যাপী ক্যারিয়ার ফেয়ার আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা চাকরিপ্রার্থীদেরও শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নকেও এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। আধুনিক শ্রমবাজারে কোন খাতে কী ধরনের দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার স্থাপন করা হবে। নিবন্ধিত চাকরিপ্রার্থীরা তাঁদের শিক্ষা ও যোগ্যতা অনুযায়ী শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরাসরি সহায়তা পাবেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে একটি সমন্বিত ধারণাপত্র তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরাসরি বড় কোনো অধিদপ্তর গঠন না করে ছয় মাস থেকে এক বছরের পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তীতে এটি সারাদেশে পূর্ণাঙ্গভাবে সম্প্রসারণ করা হবে।

ব্রিফিংয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিক, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।