ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

শিক্ষামন্ত্রী হলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন

লায়ন ড. এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে। ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।
কচুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন। এবং শিক্ষা মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কচুয়ার সন্তান মিজানুর রহমান ঢালী

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৪৭২০ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী হলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন এহছানুল হক মিলন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩শ’২৯ ভোট ও তার নিকটতমপ্রতিদ্ধন্দি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭ শ’ ৮১ ভোট।

এই ব্যবধানের জয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে এবং এখন ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। চায়ের দোকান, হাট-বাজার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত আলোচনা চলছে। ড. আ ন এহছানুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকাল থেকেই তিনি নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার বিপুল ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৪ দলীয় জোটের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশ ব্যাপী নকল দূরীকরণের মাধ্যমে বেশ আলোচিত ছিলো।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিপরিষদের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তার সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এলাকার সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, টিউবওয়েল প্রদান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের মতো ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো: শাহজালাল প্রধান জালাল বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ড. আ ন এহছানুল হক মিলন তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন।
কচুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার বলেন, ড. আ ন এহছানুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের আশা পূরণ হবে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা একযোগে তার মন্ত্রিত্বের দাবি তুলছেন। এবং শিক্ষা মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কচুয়ার সন্তান মিজানুর রহমান ঢালী