গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।
বুধবার জাতীয় সংসদে ফেনী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমানের পক্ষে সংসদে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম। একই সূচকে পাকিস্তানের অবস্থান ১৫৩তম এবং ভারতের অবস্থান ১৫৭তম। ফলে সূচকের হিসাবে বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রয়েছে।
তবে সরকার কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করাকে মূল বিষয় হিসেবে দেখছে না বলে জানান ইয়াসির খান চৌধুরী। তিনি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে দেশে স্বাধীন, দায়িত্বশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার গণমাধ্যম ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
এ লক্ষ্যে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম খাতকে আরও সুসংহত করতে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪ যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সম্প্রচার আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
অপতথ্য, গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে তথ্য যাচাই কার্যক্রম এবং জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত মান, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইয়াসির খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার মধ্যে সমন্বয় করে একটি শক্তিশালী, বহুমাত্রিক ও জনকল্যাণমুখী গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়; বরং গণমাধ্যমের স্বাধীন, নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা।






















