ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

থানার ভেতরে জেসিডি–ডাকসু সংঘর্ষ, দুজনকে পিটুনির অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ :

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে উত্তেজনার জেরে রাজধানীর একটি থানার ভেতরে ছাত্রদল (জেসিডি) কর্মী ও ডাকসু প্রতিনিধিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় দুই ডাকসু নেতাকে মারধর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেসিডি কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে থানায় যান। তাদের অভিযোগ, তিনি ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে জড়িত এবং ফেসবুকে একটি আপত্তিকর পোস্ট করেছেন। এর আগে সংগঠনটি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

একই সময় আবদুল্লাহ আল মাহমুদও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এ বি জুবায়ের ও ফাতিমা তাসনিম জুমা।

থানার ভেতরে দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ৩০ জন জেসিডি কর্মী মুসাদ্দিক ও জুবায়েরের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের আলাদাভাবে মারধর করেন।

তবে জেসিডি নেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ডাকসুর নেতা মুসাদ্দিকই প্রথমে সহিংসতার সূত্রপাত ঘটান। তাদের দাবি, তিনি ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক যুগ্ম সম্পাদককে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেসিডির সিনিয়র নেতারা হস্তক্ষেপ করে সংশ্লিষ্ট দুই ডাকসু নেতাকে থানার ভেতরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। এ সময় একদল কর্মী প্রায় ২০ মিনিট ধরে থানার ভেতরে স্লোগান দিতে থাকে এবং ডাকসু নেতাদের তাদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানায়। পরে সিনিয়র নেতারা তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন, যদিও তারা কিছু সময় থানার গেটের সামনে অবস্থান করেন।

সন্ধ্যার পর রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম রাত প্রায় ৯টার দিকে এ বি জুবায়ের ও ফাতিমা তাসনিম জুমাকে নিরাপত্তার জন্য শাহবাগ থানার জামে মসজিদে পৌঁছে দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
৪৫৪৫ বার পড়া হয়েছে

থানার ভেতরে জেসিডি–ডাকসু সংঘর্ষ, দুজনকে পিটুনির অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে উত্তেজনার জেরে রাজধানীর একটি থানার ভেতরে ছাত্রদল (জেসিডি) কর্মী ও ডাকসু প্রতিনিধিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় দুই ডাকসু নেতাকে মারধর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেসিডি কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে থানায় যান। তাদের অভিযোগ, তিনি ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে জড়িত এবং ফেসবুকে একটি আপত্তিকর পোস্ট করেছেন। এর আগে সংগঠনটি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

একই সময় আবদুল্লাহ আল মাহমুদও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এ বি জুবায়ের ও ফাতিমা তাসনিম জুমা।

থানার ভেতরে দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ৩০ জন জেসিডি কর্মী মুসাদ্দিক ও জুবায়েরের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের আলাদাভাবে মারধর করেন।

তবে জেসিডি নেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ডাকসুর নেতা মুসাদ্দিকই প্রথমে সহিংসতার সূত্রপাত ঘটান। তাদের দাবি, তিনি ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক যুগ্ম সম্পাদককে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেসিডির সিনিয়র নেতারা হস্তক্ষেপ করে সংশ্লিষ্ট দুই ডাকসু নেতাকে থানার ভেতরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। এ সময় একদল কর্মী প্রায় ২০ মিনিট ধরে থানার ভেতরে স্লোগান দিতে থাকে এবং ডাকসু নেতাদের তাদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানায়। পরে সিনিয়র নেতারা তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন, যদিও তারা কিছু সময় থানার গেটের সামনে অবস্থান করেন।

সন্ধ্যার পর রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম রাত প্রায় ৯টার দিকে এ বি জুবায়ের ও ফাতিমা তাসনিম জুমাকে নিরাপত্তার জন্য শাহবাগ থানার জামে মসজিদে পৌঁছে দেন।