ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন Logo ‘হাসিনা কার্ড’ খেললে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কীভাবে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ সমিতির ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা, ১১ আগস্ট মানববন্ধন Logo এমপিদের বেতন ৫ লাখ ও মন্ত্রীদের ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরের নিজস্ব প্রতিবেদক Logo সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার নিয়ে পুলিশের উদ্বেগ, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান Logo পল্লবীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে বিএনপি কর্মী আহত, অবস্থা আশঙ্কাজনক Logo জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে রেডিট নাকি চ্যাটজিপিটি—কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য? Logo সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ নেই, দেশে ফিরলে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রস্তুত প্রশাসন ও বিএনপি Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে গেলেও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন দাবি করেছেন, তিনি ওই সময়ের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই আত্মগোপনে ছিলেন।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেন সাদ্দাম হোসেন। ‘আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে দুই বছর কীভাবে কাটালেন’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি শনিবার প্রকাশ করা হয়।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন আমি তো দেশেই ছিলাম। কৌশলগত কারণে বারবার জায়গা বদল করতে হয়েছে। এর মধ্যেই চেষ্টা করছিলাম সংগঠন পরিচালনা করার। তখনকার পরিস্থিতিতে দল বাস্তবতার নিরিখে যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই অনুযায়ী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ দমন-পীড়ন যখন শুরু হলো, তখন স্থান পরিবর্তন করতে হয় আমাকে। তবে আমাদের দলের অনেকেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই এখনো আছেন।’

দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের যে নেতাকর্মীরা রয়ে গেছেন, তারাই তো মূল শক্তি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা, যেসব মামলা চলছে তাতে সহায়তা দেওয়া—এসব করতেই দিন কেটে যায়। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কাজ তো আছেই।’

দেশে ফেরার প্রস্তুতি

দেশে ফেরার বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘মানসিক ও পারিবারিকভাবে আমি এবং আমরা দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুত। রোডম্যাপ তৈরি, এখন অপেক্ষা করছি টাইমলাইনের জন্য।’

দেশে ফেরার পর সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কেও নিজেদের ধারণা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘দেশে ফিরলে আমাদের সঙ্গে কী হতে পারে, ভবিষ্যৎ কী—সে ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই ধারণা আছে। ব্যক্তিগতভাবে এবং পারিবারিকভাবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছি।’

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর কিছু সময় তিনি বাংলাদেশের ভেতরেই অবস্থান করে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতির কারণে স্থান পরিবর্তন করেন। একই সঙ্গে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার দাবিও করেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
৪৫০১ বার পড়া হয়েছে

৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন

আপডেট সময় ১০:১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে গেলেও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন দাবি করেছেন, তিনি ওই সময়ের পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশেই আত্মগোপনে ছিলেন।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেন সাদ্দাম হোসেন। ‘আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে দুই বছর কীভাবে কাটালেন’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি শনিবার প্রকাশ করা হয়।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন আমি তো দেশেই ছিলাম। কৌশলগত কারণে বারবার জায়গা বদল করতে হয়েছে। এর মধ্যেই চেষ্টা করছিলাম সংগঠন পরিচালনা করার। তখনকার পরিস্থিতিতে দল বাস্তবতার নিরিখে যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই অনুযায়ী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ দমন-পীড়ন যখন শুরু হলো, তখন স্থান পরিবর্তন করতে হয় আমাকে। তবে আমাদের দলের অনেকেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই এখনো আছেন।’

দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের যে নেতাকর্মীরা রয়ে গেছেন, তারাই তো মূল শক্তি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা, যেসব মামলা চলছে তাতে সহায়তা দেওয়া—এসব করতেই দিন কেটে যায়। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কাজ তো আছেই।’

দেশে ফেরার প্রস্তুতি

দেশে ফেরার বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘মানসিক ও পারিবারিকভাবে আমি এবং আমরা দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুত। রোডম্যাপ তৈরি, এখন অপেক্ষা করছি টাইমলাইনের জন্য।’

দেশে ফেরার পর সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কেও নিজেদের ধারণা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘দেশে ফিরলে আমাদের সঙ্গে কী হতে পারে, ভবিষ্যৎ কী—সে ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই ধারণা আছে। ব্যক্তিগতভাবে এবং পারিবারিকভাবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছি।’

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর কিছু সময় তিনি বাংলাদেশের ভেতরেই অবস্থান করে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতির কারণে স্থান পরিবর্তন করেন। একই সঙ্গে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার দাবিও করেন তিনি।